“২০২৪-এর মধ্যে রাজ্যজুড়ে বাড়ি বাড়ি নলবাহিত জল পৌঁছে দেব”, মমতা

This News is Presented by Shyam Sundar Jewellers

কলকাতা পুরসভার ভোটের আগে শেষমুহূর্তের প্রচার ময়দানে তৃণমূল নেত্রী। বৃহস্পতিবার একদিনে তিন জনসভায় শামিল তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বাঘাযতীনের যুব সংঘের মাঠে যাদবপুর ও টালিগঞ্জের ১৯ টি ওয়ার্ডের প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচার শুরু করেন তিনি। পুরভোটের প্রচারে নেমে এদিন দরাজ হাতে শহরবাসীকে একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি শোনালেন মুখ্যমন্ত্রী। ঘোষণা করেন এবার বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছে দেবে পুরসভা। আগামী ২০২৪ -এর মধ্যেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করা হবে। শুধু তাই নয় শহরের উদ্বাস্তু কলোনির বাসিন্দাদের জন্যও বিরাট বার্তা দেন মমতা এদিনের মঞ্চ থেকে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”আমাদের কর্পোরেশন যে কাজ করেছে, সারা ভারতবর্ষে কোনও কর্পোরেশন সেই কাজ করেনি। কারও থেকে কোনও সার্টিফিকেট নিতে হবে না। বাংলা জানে কীভাবে কাজ করতে হয়।” তিনি আরও বলেন, ”২০২৪-এর মধ্যে রাজ্যজুড়ে বাড়ি বাড়ি নলবাহিত জল পৌঁছে দেব। দেশের প্রায় সব জায়গায় জলকর নেওয়া হয়। কিন্তু বাংলায় জলের উপর কর নেওয়া হবে না। কেন্দ্র জলকর বসাতে চাপ দিয়েছিল। কিন্তু মানুষের উপর জলের জন্য কর চাপাতে পারব না।’’

This news is sponsored by STP Tax Consultant

তিনি আরও বলেন, বলেন, উদ্বাস্তুদের পাট্টা দেওয়া হবে। উদ্বাস্তু কলোনীকে উচ্ছেদ করা যাবে না। তাঁদের আইনত পাট্টা দেওয়া হবে। এদিন মমতা এও বলেন কলকাতাকে দেখে অনেকেরই ঈর্ষা হয় আজ। কলকাতা পুরসভা (KMC Election 2021) যা করেছে তা ভারতে হয়নি। একইসঙ্গে তিনি বলেন বাংলার কারও সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই। বাংলা জানে কী করে কাজ কোর্টে হয়। আজ কলকাতা পুরসভা যে কাজ করেছে তা দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে গোটা রাজ্যের কাছে।

বৃহস্পতিবার বাঘাযতিনে সভা করেন তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) নেত্রী। কলকাতাকে সুন্দর করে সাজাতে গত দশ বছরে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন তিনি। শহরের যাতায়াত ব্যবস্থা মসৃণ করতে সরকার যে একাধিক উড়ালপুল তৈরি করেছে তা জানান তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পর বিশেষ বিশেষ বিল্ডিংগুলিকে রং নীল-সাদা রং করা হয়েছে। এ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মমতার মন্তব্য, ”সেসময় ‘আর্জেন্টিনা’ বলে কটাক্ষ করা হয়েছিল। কিন্তু সেই নীল-সাদা রঙই এখন পছন্দ করছেন দিল্লি, মুম্বইয়ের মানুষজন। আমি কেন নীল-সাদা কেন করলাম? ওটা আমার পার্টির কালার না। ওটা আকাশের রং। আকাশের কোনও সীমা নেই, তাই এই দুই শহরও নীল-সাদা রঙের দিকে ঝুঁকছে।” তিনি আরও বলেন, ”রবীন্দ্রসংগীত বাজালাম প্রথম ট্রাফিক সিগন্যালে। সকলে বলল – এ আবার কী? বললাম কেন? বাংলার সংস্কৃতি এটাই। মানুষ শুনবে, শিখবে।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

five × 4 =