আইএসএল চলার মাঝেই দুই প্রধানের কোচ নিয়ে ডামাডোল

This News is Presented by Shyam Sundar Jewellers

শান্তি রায়চৌধুরী: দলের ব্যর্থতায় আইএসএল চলার মাঝেই কোচের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন এটিকের কোচ হাবাস। এরপরে এটিকে মোহনবাগানের কোচ নিয়োগ নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। নাম উঠে ছিল সের্জিও লোবেরা ও আলবার্তো রোকার নাম। এটিকে মোহনবাগানের নতুন কোচ হিসেবে অবশ্য দায়িত্ব নিয়েছেন হুয়ান ফেরান্দো।যাতে কোচ এসেই কাজ শুরু করে দিতে পারেন এই অবস্থায় মোহনবাগান কর্তৃপক্ষ খুঁজতে লাগে।হায়দরাবাদ এফসির কোচ ম্যানুয়েল মার্কুয়েজ প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সমস্যায় পড়ে এটিকে মোহনবাগান। ফলে এফসি গোয়া থেকে ভাঙ্গিয়ে আনে ফেরান্দোকে।

তবে এই নিয়ে গোয়া ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে এটিকে মোহনবাগানের চাপানউতোর তুঙ্গে। সঞ্জীব গোয়েঙ্কা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে পরের পর টুইট করে রীতিমত তোপ দেগেছেন গোয়ার অন্যতম কর্ণধার অক্ষয় ট্যান্ডন। গত শনিবার রাতেই হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচের পর ফেরান্দোর কাছে প্রস্তাব যায় বাগানের। যা এতটাই লোভনীয় ছিল যে ফেরাতে চাননি বা পারেননি এই স্প্যানিশ কোচ। তাছাড়া এটিকে মোহনবাগানের মতো তারকাখচিত দলের কোচিং করে সফল হওয়া দিকটাও দেখেন তিনি।

This news is sponsored by STP Tax Consultant

এর পরের দিন সকালেই দ্রুত ফেরান্দোকে অগ্রিম ধরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর ফেরান্দো গোয়া ম্যানেজমেন্টকে জানান, দল ছাড়ার কথা। এভাবে রাতারাতি কোচ ভাঙ্গিয়ে নিয়ে যাওয়া নিয়ে ট্যান্ডনের টুইটে অভিযোগের সারমর্ম ছিল, তাঁদের জন্য আলোচনার কোনও রাস্তাই খোলা রাখা হয়নি। তিনি ঘুরিয়ে টাকার লোভ দেখিয়ে কোচ ভাঙ্গিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করেন। তবে তাতে তাঁদের খুব সমস্যা হবে না এটাও জানান ট্যান্ডন।

তবে ওয়াকিবহাল মহলের বক্তব্য, এখন সবুজ মেরুন শিবিরের যা পরিস্থিতি তাতে এই দল সামলানো কঠিন হবে ফেরান্দোর মত তরুন কোচের পক্ষে। দলের মধ্যে একাধিক গ্রুপ। দলের দুই তারকা ফুটবলারের সঙ্গে অনেকেরই বনিবনা হচ্ছে না। যার মধ্যে একজন বিদেশি, অন্যজন ভারতীয়। যা সামাল দিতে পারেননি আন্তোনিও লোপেজ হাবাস নিজেও। হিমশিম খেতে হয়েছে তাকে। আর এজন্যই হাবাসকে কোচের পদ থেকে পদত্যাগ করতে হয়েছে। তাই নতুন কোচ এসেও দলের হাল কতটা ফেরাতে পারবেন, সেটাই এখন দেখার।

এদিকে, এসসি ইস্টবেঙ্গলেও এখন কোচ বদলের হাওয়া। ম্যানুয়েল দিয়াজকে সরানো হচ্ছে এটা নিশ্চিত। তা জানিয়েও দেওয়া হয়েছে দিয়াজকে। কিন্তু তাঁর বদলি নিয়ে সমস্যায় বিনিয়োগকারী সংস্থা। ওমিক্রনের জেরে ফের ইউরোপ থেকে বিমান পরিষেবা নিয়ে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে ভারত সরকারের তরফে।

ফলে এসসি কর্তারাও এখন বুঝে উঠতে পারছেন না, নতুন কোচ কীভাবে আনা হবে। যদিও তাঁরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে ইতিমধ্যেই দায়িত্ব বেড়েছে রেনেডি সিং ও মৃদুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের। যে কদিন আছেন, তাঁদের সঙ্গে আলোচনা না করে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে মানা করে দেওয়া হয়েছে দিয়াজকে। নতুন কোচ না আসা পর্যন্ত এই দুজনই কাজ চালাবেন বলে জানা গিয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

3 − two =