পাক রেঞ্জার্স থেকে শুরু করে লালফৌজের ভীতি সৃষ্টিকারী একটাই নাম শিফুজি

This News is Presented by Shyam Sundar Jewellers

শর্মিষ্ঠা চ্যাটার্জী: সীমান্ত এলাকায় জঙ্গি হামলা থেকে শুরু করে সেনাদের আগ্রাসন, বরাবরই দেশের প্রতি দায়বদ্ধতার বাণী, যার মুখ থেকে শোনা যায় সেইসঙ্গে যাঁর জ্বালাময়ী বক্তৃতায় শরীরে রক্তের গরম স্রোত বয়ে যায় তিনি আর কেউ নন গ্র্যান্ডমাস্টার শিফুজী শৌর্য ভরদ্বাজ। উগ্র জাতীয়তাবোধে দীক্ষিত তিনি। সোশ্যাল মিডিয়াতে তাঁর জনপ্রিয়তা যেকোনো আন্তর্জাতিক তারকাকেও টক্কর দেওয়ার মত। পাক রেঞ্জার্স বা লালফৌজের ত্রাস সৃষ্টিকারি শিফুজি শাওলিন থেকে কৌশল প্রাপ্ত ।

বিশ্বের সর্বাধিক জনপ্রিয় কমান্ডো ট্রেনারদের মধ্যে তিনি একজন। প্রতিমুহূর্তে সীমান্ত এলাকায় যাঁরা নিজেদের প্রাণের ঝুঁকি নিয়েও দেশকে রক্ষার স্বার্থে পাহারাতে রত সেই ভারতীয় সেনাবাহিনীকে মজবুত করে তোলার পেছনে শিপুজির অবদান অপরিসীম। মার্শালাট থেকে শুরু করে কুং ফু সবেতেই তিনি উচ্চমানের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। ভারতীয় জওয়ানদের প্রশিক্ষক হিসেবেও শিপুজির প্রচুর অবদান রয়েছে।

This news is sponsored by STP Tax Consultant

শিপুজির আসল নাম দীপক দুবে। জানা যায়, তাঁর এই কঠোর নিয়মশৃঙ্খলাবদ্ধ জীবনের হাতেখড়ি বাড়িতেই। বাবা মায়ের ছত্রছায়ায় ক্রমশ ছোট থেকে আত্বনির্ভর হয়ে ওঠেন। খ্যাতনামা গোর্খা ফাইটার সেনসেইখেম বাহাদুর গুরুং ছিলেন তাঁর প্রথম শিক্ষাগুরু। তাঁর মধ্যে যে অগাধ সম্ভাবনা ছিল তা কিছুদিন পরেই প্রকাশিত হয়। প্রাপ্ত বয়স্কে পৌঁছনোর পূর্বেই নিজ প্রতিভার জোরে তিনি যোগাগুরু হয়ে ওঠেন। কুংফু বা মার্শালাট সবেতেই তাঁর অসামান্য প্রতিভা ছিল। তিনি বিশ্বের সবথেকে প্রাচীন মার্শালাট কেরলের কাল্লারিপায়া থেকে শিক্ষাগ্রহণ করেছিলেন।

‘মিশন প্রহার ছাড়াও’ তাঁর হাত ধরেই ‘মিশন প্রচন্ড ভারত,’ মিশন মেরি মিটি ‘ বড়ো বড়ো মিশন গুলি সফলতা লাভ করেছে। তিনি শত্রুকে ধরাশায়ী করতে Shatru vinashak killing skills, Extreme urban Warfare and Military Marital Arts, Social Modified Close Quarter Battle সহ বহু নতুন ধরনের কৌশলের উদ্ভাবন করেছেন। মুম্বইয়ে স্পেশাল অ্যান্টি টেরর ট্যাকটিকস ইনস্ট্রাক্টরের পদেও তিনি দায়ীত্ব সামলেছেন। দেশের সেনাবাহিনীর সি হক কমান্ডো, স্পেশাল আর্মড ফোর্স কাউন্টার টেররিস্ট গ্রুপ, এসটিএফ ও অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াডকেও প্রশিক্ষণ দেন তিনি।

ভারতের যুবসম্প্রদায়কে অনুপ্রাণিত করে তুলতে তিনি মিশন নির্ভয় চালু করেন। নিজের বক্তৃতার মাধ্যমে যুবসমাজে তিনি দেশাত্মবোধের জাগরণ দেখতে চান। নিজেকে ‘লার্নার অফ রেভোলিউশন’ আখ্যা দিতে পছন্দ করেন তিনি। শিফুজির স্বপ্ন এমন এক ভারতের যেখানে মহিলারা সসম্মানে নির্ভীকভাবে বাঁচতে পারে।যুবসম্প্রদায়ের মধ্যে দেশভক্তির বানীর প্রচারের মাধ্যমে তিনি এক নবভারতের স্বপ্ন দেখেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

10 − eight =